নিজস্ব প্রতিবেদন – ধনেখালি বিডিও অফিসের ডব্লিউডিও মিঠু চক্রবর্তী’র বিরুদ্ধে অভব্য আচরণের অভিযোগ আইটিসিআরপি মহিলাদের সঙ্গে।আইডেন্টিটি কার্ড,নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক এবং কাজের স্থায়ী করণের দাবিতে ধনেখালি ব্লক এলাকার ১৮ টি পঞ্চায়েতের আইটিসিআরপি মহিলারা শান্তিপূর্ণ ভাবে বৃহস্পতিবার গিয়েছিলেন ধনেখালি বিডিও অফিসে ডেপুটেশন জমা দিতে।বিডিও সাহেব না থাকায় তারা ডব্লিউডিও’র সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করলে তাদের অপেক্ষা করতে বলা হয় ডব্লিউডিও’র পাশের একটি রুমে।এক ঘন্টা তাদের বসিয়ে রাখার পরও যখন ডব্লিউডিও তাদের সঙ্গে দেখা করতে চাননি তখন তারা রুম থেকে বেরিয়ে এসে তাদের দাবির সপক্ষে স্লোগান দিলে ডব্লিউডিও মিঠু চক্রবর্তী তাদের সঙ্গে অত্যন্ত রূঢ় ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ।যদিও পরবর্তীতে তাদের ডেপুটেশন ডব্লিউডিও গ্রহণ করেন বলে আইটিসিআরপি সূত্রে জানা গেছে।ঘটনা পরম্পরা যাই হোক না কেন,অধস্তন কর্মীদের সঙ্গে একজন সরকারি উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের এহেন আচরণ মোটেই কাম্য নয়।ডব্লিউডিও’র বিরুদ্ধে এ অভিযোগ নতুন নয়।এর আগেও তার বিরুদ্ধে সংঘের কাজকর্ম নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।শুধু স্কুল ড্রেস থেকে কমিশন নয়,গোষ্ঠীর মেয়েদের মিটিংয়ের টিফিনের টাকা থেকেও কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডব্লিউডিও এবং তার সহযোগীর বিরুদ্ধে।তাকে গোঘাটে ট্রান্সফার করার জন্য সরকারি অর্ডারও বেরিয়েছিল গত ২৯ আগষ্ট,২০২৫,মেমো নং 666/DMMU/HOOGHLY.কিন্তু প্রায় ১০ মাস পার হতে চললো,এখনও পর্যন্ত তিনি গোঘাটে ট্রান্সফার হননি,কোনো এক অদৃশ্য কারণে ধনেখালি ব্লকেই তিনি বহাল আছেন বলে অভিযোগ।প্রায় ১০ মাস আগে ট্রান্সফার অর্ডার বের হলেও কার অঙ্গুলিহেলনে কিভাবে তিনি এখনও ধনেখালি ব্লকেই কর্মরত আছেন,এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।এত সাহস তিনি পাচ্ছেন কোথা থেকে ? ট্রান্সফার অর্ডার কার্যকর করার জন্য জেলা এবং ব্লক প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কেন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি ? সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করার জন্য জিরো টলারেন্স নীতি মেনে কেন এখনও পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি প্রশাসন ? মাথায় কার হাত ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন।স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং দুর্নীতির চক্র ভাঙতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক জেলা এবং ব্লক প্রশাসন,চাইছেন এলাকার মানুষজন।এ বিষয়ে ধনেখালির বিডিও সাহেবকে ফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান,”এটা কখনোই কাম্য নয়।অধস্তন কর্মীদের সঙ্গে একজন সরকারি আধিকারিকের এহেন আচরণ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।বাকি সমস্ত অভিযোগ খুঁটিয়ে দেখে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


