নিজস্ব প্রতিবেদন – দু’একটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই শেষ হল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন।ছোট খাটো দু’একটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বড় কোনো অঘটন ঘটেনি। অবশ্যই এরজন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।হাতে আর মাত্র তিন দিন।তার পরেই জানা যাবে রাজ্যে পরিবর্তন ঘটতে চলেছে না তৃণমূল আবারও চতুর্থ বারের জন্য সরকার গঠন করতে চলেছে।এখন শুরু অপেক্ষার পালা।মানুষ কিন্তু খুব চুপচাপ।কেউই মুখ খুলছে না।লক্ষীর ভান্ডারের জয় হবে না অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জয় হবে তা চার তারিখেই জানা যাবে।বামেরাও যে এবারে আর শূন্য থাকবে না সেকথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।মালদা এবং মুর্শিদাবাদে এবারে ভালো ফল করবে কংগ্রেস।প্রচারের সময় বিভিন্ন জায়গায় ভাইজানের সভায় যা ভিড় হয়েছে তা দেখে অনুমান করা যায় এবার শুধু ভাঙড় নয়,আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় ভালো ফল করবে আইএসএফ।দু’একটা সিট হুমায়ূন কবীরও পেতে পারেন। অনেকেই আবার বলছেন,একক ভাবে তৃণমূল বা বিজেপি কেউই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে।যদিও সবটাই অনুমান।তবে যদি সত্যিই এরকম কোনো ঘটনা ঘটে,সেক্ষেত্রে বাম এবং বাম সহযোগী দলগুলি সরকার গঠনে যে একটা নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে সেকথা বলাই যায়।তবে এবারের ভোটের অঙ্ক বড় জটিল।এসআইআরের ফলে অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেছে।মৃত, স্থানান্তরিত,ডুপ্লিকেট ভোটারের নাম তো আগেই বাদ গেছে।গণদেবতার রায় কোন্ দিকে যাবে সহজে তা বলা যাবে না।আর বুথ ফেরত সমীক্ষা সব সময় নির্ভুল হয় না।তাই রাজ্যে তৃণমূলের প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন তা জানতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে ৪ তারিখ পর্যন্ত।৪ মে জানা যাবে জনতা জনার্দনের রায় কোন্ দিকে।




